মহামারী থেকে দূর্ভিক্ষের আশংকা : মো: নুরুল ইসলাম তিতুমীর

মতামত সম্পাদকীয়

মো: নুরুল ইসলাম তিতুমীর::- বিপদ থেকে বাচাঁর জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই।মহামারী থেকে দূর্ভিক্ষের আশংকা। কৃষি কাজকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিন।
আমরা এতদিনে পরিষ্কার বুঝতে পারছি, করোনা ভাইরাসে সৃষ্ট মহামারি আমাদের সবাইকে অসহায় করে দিয়েছে। ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি বয়কটের শিকার, শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে এ বয়কটের শিকার হয়েছি।পাড়া, গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা, মহানগর লকডাউন মানে সামাজিক বয়কট, একদেশের সাথে আরেক দেশের সরাসরি যোগাযোগ বন্ধ, রাজনৈতিক, রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বয়কট নিশ্চিত হয়ে গেছে। অর্থনৈতিক মহাপরিকল্পনা কিংবা সামরিক কৌশল অকার্যকর। বুদ্ধি, অস্ত্র, মাতুব্বরি কোন কাজে আসছে না।মানুষের তৈরী সকল উৎপাদন প্রক্রিয়া থেমে গেছে। কিছু খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরন, ঔষধ, চিকিৎসা সরঞ্জামের কারখানাগুলো জীবনের মায়াকে যুক্তি দিয়ে চলছে।।
পৃথিবীতে এখন সরব কেবল আল্লাহর সৃষ্টির অনন্য সব বিষয়গুলো। কৃষি উৎপাদন সরাসরি আল্লাহর রহমতের নিদর্শন।যদিও সবই আল্লাহর রহমতের অন্তর্ভুক্ত। পৃথিবীতে মানবজাতির শুরু আদম (আঃ) ও হাওয়া ( আঃ) এর মাধ্যমে। কৃষি তাদের মাধ্যমেই মানজাতি জেনে এসেছে। কৃষি কর্ম সভ্যতার অজানা কালের সকল স্তরে ছিল এবং এখনো আছে, পৃথিবীর শেষ সময় পর্যন্ত থাকবে, আর কোন ইন্ডাস্ট্রি ছিল বা থাকবে এরকম ধারণা আমাদের কারো নেই, বর্তমান মহামারী কখন শেষ হবে তা আমরা কেউ জানিনা। কী পরিনতি অপেক্ষা করছে তার কল্পনাও আমরা করতে পারছি না।
করোনা আমাদের চরম অসভ্যতা আর অন্যায়ের কারনে আল্লাহ দিয়েছেন। এটি মুমিনদের জন্য পরীক্ষা আর জালেমদের জন্য শাস্তি।
নিজের অন্যায়ের জন্য আসুন ক্ষমা চাই, তওবা করি। কৃষি আল্লাহর নেয়ামত। এটিকে কাজে লাগাই। যার যতটুকু জমি আছে চাষ করি,ফসল ফলাই। যার নেই তিনি অন্যের চাষাবাদের কাজে শ্রম দেন। এখন আমাদের ধান কাটার মৌসুম। বসে না থেকে এ কাজে এখনই শুরু করুন। কে কেমন পেশায় ছিলাম তা ভাবার বিষয় নয়। কৃষি কাজকে সবার আগে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিন। মহান সৃষ্টি কর্তা আল্লাহর কাছে সাহায্য কামনা করুন।
আলহামদুলিল্লাহ। আমিও পুকুরে মাছ চাষের উদ্যোগ নিয়েছি। সবজি চাষের চেষ্টা করছি। আমাদের এলাকার বহু লোক পার্শ্ববর্তী এলাকায় ধানকটায় যোগ দিয়েছেন।
আপনাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *